ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে বড় জয়ে মোহামেডানের চারে চার

নিজে জালের দেখা পেলেন শাহরিয়ার ইমন, সতীর্থদের দিয়েও করালেন জোড়া গোল। তার চমৎকার নৈপুণ্যে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের (বিএফএল) পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে উড়িয়ে দিয়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। সেই সঙ্গে লিগে নিজেদের টানা জয়ের ধারা অক্ষুণ্ণ রাখল মতিঝিল পাড়ার দলটি।

আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) মুন্সিগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে মোহামেডান।

সাদা-কালোদের হয়ে ইমন প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর ব্যবধান বাড়ান অধিনায়ক সুলেমান দিয়াবাতে, উজবেক মিডফিল্ডার মোজাফ্ফর মোজাফ্ফরভ এবং তরুণ উইঙ্গার আরিফ হোসেন।

এই দাপুটে জয়ে ৪ ম্যাচের চারটিতেই জিতে ১২ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে নিজেদের অবস্থান মজবুত করেছে মোহামেডান। অন্যদিকে, দিনের অন্য ম্যাচে পিডব্লিউডি স্পোর্টিং ক্লাবকে ১-০ গোলে হারিয়ে ৫ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে পুলিশ এফসি।

ম্যাচের ২৯তম মিনিটে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের অসাবধানতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে মোহামেডানকে উল্লাসে ভাসান ইমন। সতীর্থের দেওয়া থ্রু পাস ধরে দারুণ দক্ষতায় অফসাইডের ফাঁদ ভেঙে বক্সে ঢুকে দুই ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করেন তিনি। এরপর এগিয়ে আসা গোলরক্ষক মোহাম্মদ মহিউদ্দিনকে ফাঁকি দিয়ে কোনাকুনি শটে বল জালে জড়ান এই তরুণ ফরোয়ার্ড।

বিরতির পর আক্রমণ আরও জোরদার করে মোহামেডান। দ্বিতীয়ার্ধে মাত্র তিন মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোল করে ওয়ান্ডারার্সকে ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে দেয় তারা।

ম্যাচের ৫৩তম মিনিটে ইমনের আড়াআড়ি ক্রসে গোলমুখ থেকে পায়ের আলতো টোকায় বল জালে পাঠান মালিয়ান ফরোয়ার্ড দিয়াবাতে। এর ৩ মিনিট পরই প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারকে কাটানো শটে দুর্দান্ত লক্ষ্যভেদ করেন মোজাফ্ফরভ।

এরপর ৭৪তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দিয়াবাতের নেওয়া জোরালো ফ্রি-কিক ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে ব্যবধান বাড়াতে পারেনি মোহামেডান।

তবে ৮২তম মিনিটে ইমনের কাটব্যাক প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে দূরের পোস্টে থাকা আরিফ হোসেন চমৎকার টোকায় দলের চতুর্থ গোল নিশ্চিত করেন।

এদিকে দিনের অন্য একপেশে ম্যাচে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘকে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে গুঁড়িয়ে দিয়েছে সিটি ক্লাব। দলের হয়ে জোড়া গোল করেন শায়েক দোস্ত। বাকি দুটি গোল এনে দেন ওনিয়েকাচি ওকাফোর এবং এনামুল ইসলাম গাজী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *