ময়মনসিংহে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতিমা বিসর্জন

ময়মনসিংহে পাঁচ দিনব্যাপী দুর্গোৎসবের শেষ দিনে উৎসব মুখর পরিবেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে বিদায় জানিয়েছে দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গাকে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মতে, এ বছর দেবী দুর্গা ঘটকে (ঘোড়ায়) চড়ে মর্তে আগমন করে নৌকায় কৈলাসে স্বামীগৃহে গমন করেছেন।  

আজ বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ব্রহ্মপুত্র নদের কাচারীঘাটে আনা হয় বিভিন্ন মণ্ডপের প্রতিমা। পরে একে একে বিসর্জন দেওয়া হয় প্রতিমাগুলো।

এর আগে শহরের দুর্গাবাড়ী মন্দির থেকে বের করা হয় বিজয়‍া‍ দশমীর শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কাচারীঘাটে এসে শেষ হয়।

বির্সজনস্থলে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, পুলিশের ডিআইজি, এসআরবির অধিনায়ক, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ, সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে প্রতিমা বিসর্জন

কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে সনাতন ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে। আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে বিকেলে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন সমুদ্র সৈকতে ভক্ত ও দর্শনার্থীর ঢল নামে।

উপজেলার বিভিন্ন মণ্ডপ থেকে একে একে দেবী দুর্গার প্রতিমা শোভাযাত্রাসহকারে সৈকত প্রাঙ্গণে নিয়ে আসা হয়।

ঢাক-ঢোল, কাঁসর, সিঁদুর খেলা আর উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে টেকনাফ সৈকত এলাকা। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি স্থানীয় অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষও দেবী দুর্গাকে বিসর্জন দেখতে সমবেত হন, যা এক অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধনে পরিণত হয়।

টেকনাফ কেন্দ্রীয় বিষ্ণু মন্দির পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রুপন ধর জানান, অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এবারের পূজা এবং প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে।

​প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে সৈকতজুড়ে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করে উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বিজিবি, পুলিশ, কোস্ট গার্ড এবং আনসার বাহিনীর টহল ও নজরদারি ছিল চোখে পড়ার মতো। 

সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে ধর্মীয় রীতি মেনে বঙ্গোপসাগরের লোনাজলে বিসর্জন দেওয়া হয় দেবী দুর্গার প্রতিমা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *