সালমান আলী আগা আর ফাহিম আশরাফ– অষ্টম উইকেটে এই দুজনের জুটি রীতিমতো চোখ রাঙানি দিচ্ছিল বাংলাদেশকে। দুজনে মিলে গড়েছিলেন প্রায় অর্ধশত রানের জুটি। পাকিস্তানকে নিয়ে যাচ্ছিলেন জয়ের দিকে।
অবশেষে সেই জুটি ভেঙেছেন তাসকিন আহমেদ। ৪০তম ওভারে এসে ক্লিন বোল্ড করে ফেরত পাঠিয়েছেন ফাহিমকে। ফেরার আগে ২০ বলে ৯ রান করেছিলেন তিনি।
তবে এখনো একপ্রান্ত আগলে রেখেছেন সালমান। হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়ে সেঞ্চুরির দিকে ছুটছেন তিনি। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৪১ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২২১ রান তুলেছে পাকিস্তান। সালমান অপরাজিত আছেন ৮১ বলে ৮৬ রানে। তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। তিনি অপরাজিত ৩ বলে ২ রানে।
সালমান-সাদের জুটি ভাঙলেন মোস্তাফিজ
গাজী ঘুরিকে আউট করে চতুর্থ উইকেট জুটি ভেঙেছিলেন নাহিদ রানা। এরপর আরেক থিতু হওয়া ব্যাটার আব্দুল সামাদকে ফিরিয়ে দেন মোস্তাফিজুর রহমান। লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে ৪৫ বলে ৩৪ রান আসে তার ব্যাট থেকে।
সেটি ছিল ১৮তম ওভারের ঘটনা। এরপর চলে গেছে প্রায় ১৩ ওভার কিন্তু কোনো উইকেট তুলে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। টাইগার বোলারদের অপেক্ষা বাড়িয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন সালমান আর সাদ।
৩২তম ওভারে এসে সেই জুটি ভেঙেছেন মোস্তাফিজ। ৪৪ বলে ৩৮ রান করা সাদ মাসুদকে ফিরিয়েছেন ক্লিন বোল্ড করে। এতে আবারও হারের শঙ্কা জেগেছে পাকিস্তান শিবিরে।
আবারও পাকিস্তান শিবিরে নাহিদের আঘাত
তিন উইকেট হারানোর পর কেটে গেছে ১১ ওভার। এরপর আর কোনো উইকেটের দেখা পাচ্ছিল না বাংলাদেশ। অবশেষে বাংলাদেশকে ব্রেক-থ্রু এনে দিয়েছেন নাহিদ রানা। ১৩তম ওভারের শেষ বলে ঘুরিকে বোল্ড করে ফেরান এই টাইগার পেসার। ফেরার আগে ৩৯ বলে ২৯ রান করেন ঘুরি।
টানা উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ
ইনিংসের প্রথম ওভারেই পাকিস্তান শিবিরে আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। পঞ্চম বলে লিটন দাসের ক্যাচ বানিয়ে ফেরত পাঠান ওপেনার শাহিবজাদা ফারহানকে। ৫ বলে ৬ রান করে ফেরেন তিনি।
দ্বিতীয় ওভারে এসে আরেক ওপেনার মাজ সাদাকাতকে ফেরান নাহিদ রানা। আগের ম্যাচে বাংলাদেশের বোলারদের শাসন করা এই ব্যাটারকে এদিন কোনো সুযোগই দেননি নাহিদ। ৫ বলে ৬ রান করা মাজও ফিরেছেন লিটনকে ক্যাচ দিয়ে।
চার নম্বরে নামা দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ানও দায়িত্ব নিতে পারেননি। তাকে উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই নিজের দ্বিতীয় ওভারে এসে ফিরিয়েছেন তাসকিন। ৪ বলে ৪ রান করে বিদায় নিয়েছেন রিজওয়ান।
তামিমের ব্যাটে চড়ে পাকিস্তানকে চ্যালেঞ্জ জানাল বাংলাদেশ
ভালো শুরুর পরও শেষটা ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ। একটা সময় মনে হচ্ছিল ৩০০ রান হয়ে যাবে অনায়াশেই। তবে ফিনিশিং ব্যর্থতার কারনে সেটি আর হয়নি। নির্ধারিত ৫০ ওভারে বাংলাদেশ শেষ করেছে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯০ রানে।