বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে যে রেকর্ড গড়লেন শরিফুল

বাংলাদেশের অপেক্ষা বাড়িয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল অস্ট্রেলিয়া। দুই দফা বাংলাদেশের মনে ভয় ধরিয়েছিল অসি ব্যাটাররা। তবে প্রতিবারই জবাব দিয়েছেন শরিফুল ইসলাম। চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরেই গতি, সুইং আর বাউন্সের পসরা সাজিয়ে বসেছিলেন শরিফুল। টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবার তুলে নিয়েছেন ফাইফার। এর বাইরে গড়েছেন আরেক কীর্তি, যা টেস্ট ইতিহোসে প্রথম।

ম্যাকাইয়ে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে চরম হতাশ করেছেন টপঅর্ডার ব্যাটাররা। ১২ রানেই বাংলাদেশ হারায় ৫ উইকেট। অবস্থা এমন তৈরি হয়েছিল যে, একবার টেস্ট ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানে অলআউট হওয়ার শঙ্কা চেপে বসেছিল। সেটি কাটানোর পর শঙ্কা ছিল নিজেদের টেস্ট ইতহাসে সর্বনিম্ন রানে অলআউটের। ১১ নম্বরে ব্যাটিংয়ে সেটিও কাটান শরিফুল।

ব্যাটিংয়ে ১৯ বল ক্রিজে থেকে ১৪ রান করেন শরিফুল। ৩টি চারে সাজানো ছিল তার ইনিংস। যা নাম লিখিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। ১১ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে শরিফুলের এই ইনিংস টেস্ট ইতিহাসের ১৩তম সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। শরিফুলের আগে আছেন ১২জন ব্যাটার।

তবে শরিফুলের মতো একই ইনিংসে ব্যাটে-বলে এমন অবদান রাখতে পারেননি আর কেউ। ব্যাটিংয়ে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলার পর বলহাতে ৫ উইকেট বা তার বেশি উইকেট শিকার করা প্রথম ক্রিকেটার শরিফুল।

চা-বিরতির আগে অস্ট্রেলিয়ার ২ উইকেট শিকার করেন শরিফুল। বাংলাদেশকে হতাশ করে এগিয়ে যাওয়া অসিদের থামান তিনি। এক ওভারেই ধরেন জোড়া শিকার। ফেরান ট্রাভিস হেড আর মার্নাস লাবুশেনকে।

চা-বিরতি থেকে ফিরে আবারও যখন বাংলাদেশের ওপর চড়াও হচ্ছিল অস্ট্রেলিয়া, তখন দায়িত্ব নেন শরিফুল। স্টিবেন স্মিথকে ফিরিয়ে আবারও বাংলাদেশকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন তিনি। এরপর একে একে বেউ ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্ককে ফিরিয়ে দেন শরিফুল। সবমিলিয়ে তুলে নেন ৬ উইকেট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *