হামজাকে দেখেই বাংলাদেশে অ্যাডাম আব্বাস

আগামী মাসে উজবেকিস্তানে অনুষ্ঠিত হবে এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের বাছাই পর্ব। বাছাইয়ে ‘বি’ গ্রুপে খেলবে বাংলাদেশ। সেজন্য যশোরের শামস-উল-হুদা একাডেমিতে ক্যাম্প করছে বাংলাদেশ দল। ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন ইংল্যান্ড প্রবাসী তরুণ ফুটবলার অ্যাডাম আব্বাস। এরপর রোববার (৯ আগস্ট) গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।

নিজের শেকড়ের টানে বাংলাদেশে আসার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে অ্যাডাম বলেন, ‘এখানকার মানুষের ভালোবাসা আমি গভীরভাবে উপলব্ধি করছি। বাংলাদেশের হয়ে খেলতে পারা এবং জাতীয় দলে ডাক পাওয়া আমার জন্য ভীষণ গর্বের বিষয়। যেহেতু এটি আমার মায়ের দেশ, তাই পুরো পরিবারও দারুণ আনন্দিত। আমি এখন শুধু মাঠে নেমে দেশের হয়ে নিজের সেরাটা দেওয়ার অপেক্ষায় আছি।’

ইংল্যান্ডে বেড়ে ওঠা এই ফুটবলার কীভাবে বাংলাদেশের ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত হলেন, সেই গল্পও শুনিয়েছেন তিনি।

অ্যাডামের ভাষ্যমতে, ‘আমি জানতে পেরেছিলাম যে বাংলাদেশের একটি ফুটবল দল আছে। এছাড়া হামজা চৌধুরী এবং জাতীয় দলে খেলা আমার সমবয়সী আরও কয়েকজন খেলোয়াড় সম্পর্কেও আমার জানাশোনা ছিল। পরে একজনের সঙ্গে যোগাযোগ করি এবং সেখান থেকেই মূলত সবকিছু শুরু হয়। তবে এই মুহূর্তে আমার প্রধান লক্ষ্য হলো ঠান্ডা মাথায় পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া এবং নিজের স্বাভাবিক ফুটবলটা খেলে যাওয়া।’

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের কোচ জেরার্ড জোন্সের প্রশংসা করে আব্বাস বলেন, ‘কোচ জেরার্ড খুব সুন্দর কিছু ড্রিল করিয়েছেন। তার মূল মন্ত্র হলো— প্রতিপক্ষের চেয়ে বেশি দৌড়াও, বেশি খাটো, ভালো খেলো, বেশি গোল করো এবং রক্ষণ সামলাও। অর্থাৎ সব দিক থেকে প্রতিপক্ষের চেয়ে এগিয়ে থাকার মানসিকতা নিয়েই আমরা মাঠে নামব।’

দলের ভেতরের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে এই তরুণ বলেন, ‘দলের সবাই ভীষণ পরিশ্রমী। আমি এখানে এসেছি মাত্র দু-একদিন হলো, এসেই বুঝতে পেরেছি দলের মানসিকতা কতটা পজিটিভ। আজ আমার প্রথম ট্রেনিং সেশন ছিল এবং এটি সত্যিই দারুণ কেটেছে। সব মিলিয়ে এখানকার অনুশীলনের আয়োজন বেশ চমৎকার।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *