সি অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপে দুই ম্যাচ খেলে দুটিতেই হারল বাংলাদেশ। ‘এ’ গ্রুপে দুই ম্যাচ খেলে কোনো পয়েন্ট পায়নি বাংলাদেশ। বর্তমানে টেবিলের তিন নম্বরে আছে আফঈদা খন্দকার-অর্পিতা বিশ্বাসরা। ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে চীন। আর ৩ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে থাইল্যান্ড।

প্রথমার্ধের দৃঢ়তা দ্বিতীয়ার্ধে ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। বিরতি থেকে ফিরে প্রথম মিনিটেই গোল হজম করে বসে বাংলাদেশের মেয়েরা।

ম্যাচের ৪৬তম মিনিটে ডানপ্রান্ত দিয়ে আক্রমণে ওঠে চীন। বল নিয়ে ঢুকে পড়ে বক্সের মধ্যে। বাইলাইনের কাছে দুরূহ কোণ থেকে বক্সের মধ্যে কাটব্যাক করেন ওয়াং ইউজিয়া। পাশে থাকা মার্কারকে ফাঁকি দিয়ে টোকা দিয়ে বল জালে পাঠান ইউ শিংইউয়ে।

ম্যাচের ৫৮ মিনিটে আবারও বিপদে পড়তে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। ডানপ্রান্তে ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা ওয়াং ইউজিয়া ক্রস বাড়ান বক্সে। সেটি পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেননি আফঈদা। বল যাচ্ছিল গোলবারের দিকে। শেষ মুহূর্তে সেটিকে গ্লাভসবন্দি করেন গোলরক্ষক মিলি।

ম্যাচের ৮০তম মিনিটে বক্সের সামনে চীনের ফুটবলারকে ফাউল করেন মমিতা খাতুন। ফ্রি-কিক থেকে দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন ওয়াং আইফাং। বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি আক্তার বলের হাত ছুঁইয়েছিলেন। তবে, গতির কাছে পরাস্ত হন তিনি।

এক মিনিট পর আবারও বাংলাদেশের বক্সে ভীতি ছড়ায় চীন। ডানপ্রান্ত দিয়ে আক্রমণে ওঠে চীন। গতির ঝলকে বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন ইউ জিয়াকি। বক্সে ক্রস বাড়ান তিনি। সেটিকে পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেননি আফঈদা খন্দকার। ফিরতি বল পেয়ে আবারও গোলে শট নিয়েছিলেন ইউ জিয়াকি, তবে বল চলে যায় গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে।

যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে বক্সের মধ্যে ক্রস বাড়িয়েছিল চীন। সেটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গোলের জন্য শটও করেছিলেন ইউ জিয়াকি। কিন্তু সেটি ব্লক করে দেন আফঈদা। পরে বল দখলে নেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক।

এর আগে গত মাসে এশিয়ান কাপের মঞ্চে চীনের মূল দলের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে চীনের বিপক্ষে ২-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *