সিরিজ জিততে বাংলাদেশের চাই ২৭৫ রান

টসের পর পাকিস্তান অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি জানিয়েছিলেন, তার দলের ব্যাটাররা প্রথম ম্যাচের ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে চান না। অধিনায়কের কথার সত্যতা প্রমাণ করেছেন শুরুর ব্যাটাররা। পাকিস্তানের নির্ভুল ব্যাটিংয়ে একটা সময় চিন্তার ভাঁজ পড়ে বাংলাদেশি বোলারদের কপালে। সেখান অবশ্য ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকরা। বিশাল সংগ্রহের আশা জাগানো পাকিস্তানকে থামায় ৩০০ রানের আগে।

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ-পাকিস্তান। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৪৭.৩ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৭৪ রান।

পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে বাংলাদেশি বোলারদের রীতিমতো শাসন করেছেন মাজ সাদাকাত। পুরো সময় টি-টোয়েন্টি মেজাজে ব্যাটিং করেন তিনি। হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ছুটছিলেন সেঞ্চুরির দিকে। তবে, সেটি করতে দেননি মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৩তম ওভারে লিটন দাসের ক্যাচ বানিয়ে ফেরত পাঠিয়েছেন তাকে। ফেরার আগে সাদাকাত করেন ৪৬ বলে ৭৫ রান। ১০৩ রানে ভাঙে পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি। আরেক ওপেনার সাহিবজাদা ফারহানকে তাওহিদ হৃদয়ের ক্যাচ বানান তাসকিন আহমেদ। ফারহান করেন ৪৬ বলে ৩১।

শামিল আহমেদকে নাহিদ রানা ফেরালে হঠাৎ চাপে পড়ে পাকিস্তান। ১৯ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারানোর পর হাল ধরেন সালমান আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। এই জুটিতে আসে ১০৯ রান।

চতুর্থ উইকেট জুটি ভাঙে মিরাজের বদ্যানতায়। বিতর্কিত এক রান আউটে বিদায় নেন সালমান। এর আগে ৬২ বলে ৬৪ রান করেন সালমান। ৫৯ বলে ৪৪ রান রিজওয়ান ফেরেন এক বল পরেই। রিজওয়ান আউট হলে পাকিস্তান শিবির ভেঙে পড়ে তাসের ঘরের মতো। শেষ ৫ উইকেট হারায় ২২ রানে। 

বাংলাদেশের পক্ষে ৫৬ রানে ৩ উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। পাকিস্তানের লোয়ার অর্ডারকে শেষ করেন তিনি। ৩৪ রান খরচায় ২ উইকেট নেন মিরাজ। তার একটি রান আউটে বদলে যায় ম্যাচের মোমেন্টাম।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

পাকিস্তান : ৪৭.৩ ওভারে ২৭৪/১০ (শাহিবজাদা ৩১, মাজ ৭৫, শামিল ৬, রিজওয়ান ৪৪, সালমান ৬৪, হুসাইন ৯, সামাদ ১১, ফাহিম ১৪, আফ্রিদি ৩, ওয়াসিম ১, রউফ ২*; তাসকিন ৮-০-৫৯-১, মুস্তাফিজ ৯-০-৫৩-১, নাহিদ ১০-০-৫৯-১, মিরাজ ১০-২-৩৪-২, রিশাদ ৯.৩-০-৫৬-৩, আফিফ ১-০-৮-০

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *