নিঃসন্দেহে দেশের ফুটবলের সবচেয়ে বড় তারকা হামজা চৌধুরী। তিনি আসার পর আর পিছু ফিরতে হয়নি ফুটবলকে। হারানো জৌলুস, মাঠভর্তি দর্শক, স্পন্সর—ফুটবল কেড়ে নিয়েছে সব আলো। এতটাই যে, ম্লান হয়েছে ক্রিকেট পর্যন্ত। হামজার দেখানো পথে হেঁটে একে একে এলেন শমিত সোম, ফাহমিদুল ইসলাম, জায়ান আহমেদরা। ফুটবল আরও আলোকিত হলো।
বাংলাদেশের ফুটবলকে অনায়াসে দুই ভাগে ভাগ করা যায়— হামজা আসার আগে এবং হামজা আসার পর। জাতীয় দলের জার্সিতে হামজার প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট ছিল এশিয়ান কাপের বাছাইপর্ব। ব্যক্তি হিসেবে তিনি সফল হলেও দল হিসেবে বাংলাদেশ ব্যর্থ হয়েছে। বাদ পড়েছে বাছাইপর্ব থেকে।
গত ৩১ মার্চ গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। দল হারলেও যথারীতি হামজা ছিলেন উজ্জ্বল। ম্যাচের পর জাতীয় দল দেশে ফিরেছে। হামজা গেছেন ইংল্যান্ডে। সেখান থেকে ভক্তদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন তিনি।
আজ শুক্রবার (৩ এপ্রিল) নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে হামজা লিখেছেন, ‘যেভাবে চেয়েছিলাম, সেভাবে হয়নি। কিন্তু, গত এক বছরে যতটা এগিয়েছি তা নিয়ে আমি খুব গর্বিত। সামনে তাকানোর মতো অনেক কিছু পেয়েছি। সবার সমর্থন, বরাবরের মতোই অবিশ্বাস্য।’
হামজা ভুল বলেননি। বাড়িয়েও বলেননি। এশিয়ান কাপের একটি জয় এসেছে ভারতের বিপক্ষে। ২২ বছর পর ভারতকে হারানো গেল। প্রথম লেগের ম্যাচে ভারতকে তাদের মাঠেই রুখে দিয়ে ড্র তুলে নেয় বাংলাদেশ। ড্র করেছে শক্তিশালী হংকংয়ের সঙ্গেও।