ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিদায়ী উপদেষ্টারা হস্তান্তর করেছেন লাল পাসপোর্ট

স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাড়াও বিভিন্ন উপদেষ্টা ও উপদেষ্টার পদমর্যাদার মিলিয়ে প্রায় ২০ জন ইতিমধ্যে তাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট হস্তান্তর করেছেন। এর মধ্যে আছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, মুক্তিযুদ্ধ ও ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বীরপ্রতীক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম. সাখাওয়াত হোসেন, তথ্য ও সম্প্রচার ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, মহিলা ও শিশু বিষয়ক ও সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস. মুরশিদ, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, বাণিজ্য ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

এ ছাড়া প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবও পাসপোর্ট হস্তান্তর করেছেন। সাবেক ছাত্র উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তাদের দায়িত্ব হস্তান্তরের পরপরই পাসপোর্ট ছেড়েছিলেন।

স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যারা এখনও পাসপোর্ট হস্তান্তর করেননি, তাদের জন্যও এক সময় বাধ্যতামূলকভাবে এটি হস্তান্তর করতে হবে।

উল্লেখ্য, লাল পাসপোর্ট হলো বাংলাদেশের কূটনৈতিক পাসপোর্ট, যা রাষ্ট্রপ্রধান, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীবর্গ, সংসদ সদস্য, উচ্চ আদালতের বিচারপতি এবং বিশেষ সরকারি প্রতিনিধি ও তাঁদের স্ত্রী/স্বামীর জন্য ইস্যু করা হয়। এটি বিদেশে ভ্রমণে বিশেষ কূটনৈতিক সুবিধা ও সম্মান নিশ্চিত করে এবং অধিকাংশ দেশে ভিসা ছাড়সহ প্রবেশাধিকার দেয়। বর্তমানে এটি ই-পাসপোর্ট বা মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট আকারে প্রদান করা হয়।

পিডিকে/ এসএন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *