আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। মূলত এটি পশ্চিমা সংস্কৃতির হলেও কয়েক বছর ধরে পালন করা হচ্ছে বিশ্বব্যাপী। আমাদের দেশেও এই দিনটি বেশ ঘটা করেই উদযাপন করা হয়। মনের ভিতরে লুকানো ভালোবাসার কথা বলে দেয় অনেকেই এই ভ্যালেন্টাইনস ডে’তে। ভালোবাসা দিবসে যুগলদেরমনের এই উচ্ছ্বাসকে বাড়িয়ে দেবে কয়েকগুণ। শুধু তরুণ-তরুণী নয়, নানা বয়সের মানুষই ভালোবাসার এই দিনে একসঙ্গে সময় কাটাবেন।
আজকের এ ভালোবাসা শুধুই প্রেমিক আর প্রেমিকার জন্য নয়। মা-বাবা, স্বামী-স্ত্রী, ভাইবোন, প্রিয় সন্তান এমনকি বন্ধুর জন্যও ভালোবাসার জয়গানে আপ্লুত হতে পারে সবাই। আমরা যাকে ভালোবাসি তাকে নিয়েই দিনটি কাটাতে পারি। একটি গোলাপ কিনে আজ আপনি আপনার মাকেও জানিয়ে দিতে পারেন যে আপনি আপনার মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞ।
ইতিহাসবিদদের মতে, দুটি প্রাচীন রোমান প্রথা থেকে এ উৎসবের সূত্রপাত। এক খ্রিস্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ফাদার সেন্ট ভ্যালেনটাইনের নামানুসারে দিনটির নাম Homeইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব‘ভ্যালেন্টাইনস-ডে’ এর ইতিবৃত্ত ‘ভ্যালেনটাইনস ডে’ করা হয়। ২৭০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি খ্রিস্টান বিরোধী রোমান সম্রাট গথিকাস আহত সেনাদের চিকিৎসার অপরাধে সেন্ট ভ্যালেনটাইনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। মৃত্যুর আগে ফাদার ভ্যালেনটাইন তার আদরের একমাত্র মেয়েকে একটি ছোট্ট চিঠি লেখেন, যেখানে তিনি নাম সই করেছিলেন `ফ্রম ইওর ভ্যালেনটাইন`। সেন্ট ভ্যালেনটাইনের মেয়ে এবং তার প্রেমিক মিলে পরের বছর থেকে বাবার মৃত্যুর দিনটিকে ভ্যালেনটাইনস ডে হিসেবে পালন করা শুরু করেন। যুদ্ধে আহত মানুষকে সেবার অপরাধে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সেন্ট ভ্যালেনটাইনকে ভালোবেসে দিনটি বিশেষভাবে পালন করার রীতি ক্রমে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।