জামাতের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মওদুদীর ভ্রান্ত আক্বীদা সমূহের অল্প কিছু রেফারেন্সসহ নিম্নে পেশ করা হলো

১। মওদূদী বলেছে, সমস্ত নবী গোনাহগার। তাফহীমাত ২য় খন্ড ৫৭ পৃঃ
২। নবী ও সাহাবীদের মধ্যে লোভ , লালসা , ঘৃনা-বিদ্ধেষ , কার্পন্য , স্বার্থপরতা ও প্রতিহিংসা ছিল , যার ফলে ওহুদ যুদ্ধে পরাজিত হয়েছেন। তাফহীমুল কুরআন ২য় খন্ড পৃঃ ৬০
৩। কুরআন নাযিল হওয়ার একশত বছর পরে তা পরিবর্তন হয়ে গেছে।
কুরআনের চারটি মৌলিক পরিভাষা পৃঃ১৪ও১৫
৪।আমাদের নবী তাঁর রেসালাতের দায়িত্ব আদায়ে ভূল ত্রুটি করেছেন।
তাফহীমুল ১৯ খন্ড পৃঃ ২৮৬ , ৪নং টীকা , কুরআনের চারটি মৌলিক পরিভাষা পৃঃ ১১৮
৫। নবী সা এর মত লম্বা দাড়ি রাখা বা অন্যান্য কর্ম নবী আঃ এর মত করা মারাত্মক ধরনের বিদআত ও দ্বীনের বিপজ্জনক বিকৃতি।
রাসায়েল ও মাসায়েল ১ম খন্ড পৃঃ ১৮২ও ১৮৩
৬। হাদীসের দ্বারা যদি বেশি কিছু অর্জিত হয় তবে সহীহ হওয়ার ধারণার উপর দৃঢ় বিশ্বাস ইয়াকিন রাখা যায়না।
তরজমানুল কুরআন পৃঃ ২৬৭ খন্ড ২৬ সংখ্যা ৩
৭। আল্লাহর বিধান অস্বীকার করে মওদূদী বলেছিল, ” যে ক্ষেত্রে নর-নারীর অবাধ মেলামেশা সেক্ষেত্রে যেনার কারণে (আল্লাহ পাক উনার আদেশ কৃত)রজম শাস্তি প্রয়োগ করা জুলুম”
তাহফীমাত ২/২৮১
৮। ফেরেশতা ঐ জিনিস যাকে গ্রীক, ভারত ইত্যাদি দেশের মুশরিকরা দেব-দেবী হিসাবে স্থির করেছে।[তাজদীদ ও ইহইয়ায়ে দীন ১০ পৃ]
৯। হযরত আদম আ মানবিক দুর্বলতায় আক্রান্ত ছিলেন।
তাহফীমুল কুরআন উর্দু ,৩/১২৩
১০। হযরত নূহ আ এর চিন্তাধারার দিক থেকে দ্বীনের চাহিদা থেকে সরে গিয়েছিলেন।
তাহফীমুল কুরআন ২/৩৪৪, ৩য় সংস্করন ,১৯৬৪ ইং
১১। নবী হওয়ার পূর্বে হযরত মুসা আ দ্বারা একটি কবীরা গুনাহ হয়েছিল।
রাসায়েল ও মাসায়েল ১/৩১
১২। মহানবী সা মানবিক দুর্বলতা থেকে মুক্ত ছিলেন না, অর্থাৎ তিনি মানবিক দুর্বলতার বশিভুত হয়ে গুনাহ করেছিলেন।
তরজমানুল কুরআন , ৮৫ সংখ্যা , ২৩০ পৃষ্ঠা , তরজমানুস সুন্নাহ ৩/৩০৫
১৩। হযরত আবু বকর রা খিলাফতের দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ অযোগ্য ছিলেন।
তাজদীদ ও এহহীয়ায়ে দীন ২২ পৃ
১৪। হযরত উসমান রা উনার মাঝে স্বজন প্রীতীর বদগুণ বিদ্যমান ছিলো।
খেলাফত ও মুলকিয়াত ৯৯ পৃ
১৫। হযরত আলী রা খেলাফত কালে এমন কিছু কাজ করেছেন যাকে অন্যায় বলা ছাড়া উপায় নাই।
খেলাফত এ মুলকিয়াত ১৪৬ পৃ
১৬। হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু আনহু স্বার্থবাদী , গনিমতের মাল আত্বসাৎকারী ও অত্যাচারী ছিলেন।
খেলাফত ও মুলকিয়াত ১৭৩ পৃ
১৭। সাহাবায়ে কিরাম অনেকে মনগড়া হাদীস বর্ননা করেছেন।
তরজুমানুল কুরআন, ৩৫ সংখ্যা
১৮। হযরত দাউদ আলাইহিস ওসালাম উনার কাজের মধ্যে নফস ও অভ্যন্তরীন কুপ্রবৃত্তির কিছুটা দখল ছিলো
তাহফীমুল কুরআন উর্দু, ৪/৩২৭, সূরা রাদ এর তাফসীর, অক্টোবর ১৯৬৬, ১ম সংস্করণ
১৯। রাসূলে করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নবুওয়তের ২৩ বছরের দায়িত্ব পালনে অনেক ত্রুটি বিচ্যুতি করেছেন।
তাফহীমুল কোরআন: ১৯ তম খন্ড ২৯০ পৃষ্ঠা
২০। দাজ্জাল কখন কোথায় আবির্ভূত হবে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জানানো হয়নি। তিনি দাজ্জাল সম্পর্কে যা বলেছেন। প্রকৃতপক্ষে তা তাঁর কাল্পনিক ও অনুমান মাত্র
সূত্র:তরজুমানুল কোরআন- পৃষ্ঠা ৪৬
২০। আলেম ব্যক্তির জন্য ‘তাক্বলীদ’ বা মাযহাব গ্রহণ কবীরা গুনাহ; বরং তার চেয়েও জঘন্য।
ইসলামী রেনেঁসা আন্দোলন
২১। কোরআন বুঝার জন্য কোন তাফসীরের প্রয়োজন নেই। একজন দক্ষ প্রফেসরই যথেষ্ট।
তানক্বীহাত, পৃষ্ঠা ৩১২
২২। ইসলাম কোন ধর্ম নয়, বরং জিহাদের নাম। নামায কোন ইবাদাত নয় বরং জিহাদের ট্রেনিং মাত্র। নামাযের হাকীকত: মওদুদী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *