টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ব্যস্ততা থাকলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এখন অবসরে। তবে, শিগগিরই সেই অবসর ফুরোবে। মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ত একটি বছর শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
আগামী ৯ মার্চ ঢাকায় পা রাখবে পাকিস্তান। ১১, ১৩ ও ১৫ মার্চ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ।
এই সিরিজের পর এক মাসের বিরতি দিয়ে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। ১৭, ২০ ও ২৩ এপ্রিল ওয়ানডে এবং ২৭, ২৯ এপ্রিল ও ২ মে টি-টোয়েন্টি সিরিজের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। নিউজিল্যান্ড সিরিজ শেষ হবার ছয় দিন পর পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে নামবে বাংলাদেশ। ৮ মে থেকে প্রথম টেস্ট এবং ১৬ মে থেকে দ্বিতীয় টেস্ট খেলবে দুই দল।
জুনে তিন ম্যাচের ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়াকে আতিথেয়তা দেবে বাংলাদেশ। ৫, ৮ ও ১১ জুন ওয়ানডে এবং ১৫, ১৮ ও ২০ জুন টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে দুদল। জুলাইয়ে দুই টেস্ট টেস্ট এবং পাঁচটি ওয়ানডে খেলতে জিম্বাবুয়ে সফর করবে বাংলাদেশ দল। জুলাই-আগস্টে তিনটি করে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি ম্যাচের জন্য আয়ারল্যান্ড সফর করবে টাইগাররা।
এটি শেষ করে টেস্ট খেলতে ২৪ বছর পর অস্ট্রেলিয়া সফর করবে বাংলাদেশ। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম ও শেষবার টেস্ট খেলেছিল টাইগাররা। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ হেরেছিল তারা। ২০০৮ সালে সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়া সফরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ।
সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। অক্টোবর-নভেম্বরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আতিথেয়তা দেবে বাংলাদেশ। নভেম্বর-ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর দিয়ে বছর শেষ করবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সফরে দুটি টেস্ট এবং তিনটি ওয়ানডে খেলবে টাইগাররা।