আইসিসির কঠোর সমালোচনায় পাকিস্তানের সাবেক তারকা

বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে শঙ্কার সব কালো মেঘ সরে গেছে। আলোচনা, অনুরোধের পর ভারতের বিপক্ষে খেলতে সম্মতি জানিয়েছে পাকিস্তান। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী মাঠে গড়াবে বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ এই ম্যাচ।

সব আলোচনা যখন শেষ, তখনই আইসিসির কঠোর সমালোচনা করলেন পাকিস্তানের সাবেক তারকা মোহাম্মদ হাফিজ। গেম অন হ্যায় নামের একটি শো-তে পুরো ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যাক্তিকে সামনে আনার দাবি জানান তিনি।

পাকিস্তানের ভারতের বিপক্ষে না খেলার সিদ্ধান্তটি ছিল মূলত বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে। নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে ভারতে গিয়ে খেলতে অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশ। কিন্তু বাংলাদেশের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপের জন্য আমন্ত্রণ জানায় আইসিসি।

Advertisement

https://b3ebadc1cc736c152b57d7e63e606236.safeframe.googlesyndication.com/safeframe/1-0-45/html/container.html

এসব নিয়ে হাফিজ বলেন, ‘গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে খেলার সঙ্গে যে রাজনীতি করা হলো, তার ফলাফল কী দাঁড়ালো? প্রথমত, আমাদের দেখতে হবে সারা বিশ্বের ক্রিকেট ভক্তরা কতটা কষ্ট পেয়েছেন—তিনি বাংলাদেশের সমর্থক হোন, ইংল্যান্ডের হোন বা পাকিস্তানের। এই সিদ্ধান্তে ভক্তরা আঘাত পেয়েছেন। আমার একটাই প্রশ্ন: দোষ কার ছিল?’

হাফিজ আরও যোগ করেন, “কেউ তো অবশ্যই ভুল করেছে, কিন্তু কার ভুল ছিল তা প্রকাশ করা হয়নি। ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু কিসের ভিত্তিতে? যদি কোনো ভুলের কারণে এটা দেওয়া হয়, তবে সেই ভুল স্বীকার করা হলো না কেন? এরপর তারা দাবি করছে যে, তারা ‘সততা এবং গেম স্পিরিট’ রক্ষার জন্য এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। যারা এই দাবি করছে তারা আগে কোথায় ছিল? প্রশ্ন হলো, পরিস্থিতি কেন এই পর্যায়ে পৌঁছালো?”

Advertisement

Advertisement

হাফিজের মতে, আইসিসি এই বিষয়টিকে সমঝোতা করতে ব্যর্থ হয়েছে। হাফিজ বলেন, ‘এটি আইসিসি এবং তাদের প্রশাসনের সম্পূর্ণ ব্যর্থতা। এটি প্রথমে স্বীকার করতে হবে। এর বাইরে বাংলাদেশ কোনো বিশেষ সুবিধা পেল কি না, কোনো টুর্নামেন্ট পেল কি না, নাকি তাদের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলো না—সেগুলো পরের বিষয়।’

এই ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া চরিত্রটি সামনে না আসলে আবারও এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে পারে বলে আশঙ্কা পাকিস্তানের ক্রিকেটার ও কোচ হাফিজের।

Advertisement

হাফিজ বলেন, “যে চরিত্রটি এখানে ভুল ভূমিকা পালন করেছে, তাকে সবার সামনে আনা উচিত। যদি তারা আড়ালেই থেকে যায়, তবে আমরা ভবিষ্যতে আবারও এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখতে পারি। যতক্ষণ না ভুল উপলব্ধি করা হচ্ছে এবং তা প্রকাশ্যে স্বীকার করা হচ্ছে, ততক্ষণ উন্নতি সম্ভব নয়। এই পুরো বিষয়ে আমি এখনও বুঝতে পারছি না যে আসলে কার দোষ ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *